কেন উত্তর কোরিয়ার দানব কিম জং উন কে সবাই ভয় পায়?

 কেন কিম বংশ কে সবচেয়ে ক্ষ্যাপাটে বংশ বলা হয়

কেন কিম বংশ কে সবচেয়ে ক্ষ্যাপাটে বংশ বলা হয়


উত্তর কোরিয়ার কাছে এমন পারমাণবিক বোমা আছে যা হিরোশিমা তে ফেলা বোমার চেয়ে প্রায় ১০ গুন বেশি শক্তিশালী।উত্তর কোরিয়ার আছে এমন মিসাইল যা আমেরিকার যেকোনো শহরে পরমাণু হামলা চালাতে সক্ষম। অথচ ৩০ বছর আগেও এই দেশে এমন দুর্ভিক্ষ দেখা যে মানুষ বনের ঘাস,গাছের ছাল এবং মাটি খেয়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছিল। ১০ লাখ থেকে ৩০ লাখ মানুষ না খেয়ে মারা যায়।

অনেকেই মনে করেন উত্তর কোরিয়া কে খেপাটে বানিয়েছে কিং জং উন।আসলে তা নয়। কিং জম উং এর বাবা ও দাদা উত্তর কোরিয়াকে একটা ভিত্তি দিয়েছে।আর কিম এসে এই ভিত্তি কে আগুনের প্রাসাধ তৈরি করছে। জাহিদ নোটস এর এই পর্বে জানবেন উত্তর কোরিয়া কিভাবে এত ক্ষমতা ধর হয়েছে।

১৯৫০ সালের জুনে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়।১৯৫৩ সালে সেই যুদ্ধ শেষ হওয়ার মাধ্যমে দুই কোরিয়া ভাগ হয়।এই যুদ্ধে দুই কোরিয়া মিলে প্রায় ২৫- ৩০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।শিল্প কারখানার অস্তিত্ব একবারে বিলীন হয়ে যায়।অবকাঠামো প্রায় মাটির সাথে মিশে যায়।

তখন উত্তর কোরিয়ার নেতা তখন Kim il Sung. যিনি কিম জং উনের দাদা।  Kim il Sung সেনা বাহনীকে শক্তিশালী করতে কাজ করেন।এসময় উত্তর কোরিয়ার দুই মিত্র ছিল চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়ন। তবে চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়ন এর সাহায্যে kim il sung খনি থেকে কয়লা, ইস্পাত ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে দক্ষিণ কোরিয়াকে অনেক পিছনে ফেলে দেয়।

তিনি স্বনির্ভর হওয়াতে বেশি বিশ্বাস ছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন উত্তর কোরিয়া যেন মস্কো ও বেইজিং এর হাতের পুতুল না হয়ে নিজের পায়ে দাড়ায়।

১৯৬৩ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন উত্তর কোরিয়াকে একটা পারমাণবিক রিয়েক্টর উপহার দিয়েছিল।এটি ছিল মূলত বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য। কিন্তু kim il sung এবং তার পুত্র এটাকে সামরিক উদ্দেশ্য ব্যবহারের পরিকল্পনা করেন।তত দিনে দেশটির সেনাবাহিনী শক্তিশালী হওয়া শুরু করে দিয়েছে।

১৯৬৮ সালে উত্তর কোরিয়া মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ USS Pueblo আটক করেন এবং তাদের ক্রু দের বন্দী করেন।  এটি ছিল আমেরিকার জন্য এক বিশাল অপমান এবং উত্তর কোরিয়ার সামরিক শক্তির সক্ষমতা।

১৯৭০ সালের পর কিমের দাদা কিম ইল সাং নিজেকে দেবতা ভাবতে শুরু করেন। সারা দেশে তার মূর্তি বসানো হয়। প্রতিটা বাড়িতে তার ছবি থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়।

১৯৯৪ সালে কিম ইল সাং গোপনে তার পুত্র কিম জং ইল অথাৎ কিম জন উনের বাবা কে উত্তরাধিকার মনোনীত করেন।

১৯৮০ দশকে দক্ষিণ কোরিয়া যখন আধুনিক গনতন্ত্র ও বিশ্ব বাজারে Samsung ও Huawei  দিয়ে রাজত্ব শুরু করে। উত্তর কোরিয়া তখন ভুলভাল ও ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্ত নিতে থাকে।এটির অংশ হিসেবে ১৯৮৭ সালে দক্ষিণ কোরিয়া অলিম্পিক ভঙ্গ করার উদ্দেশ্য উত্তর কোরিয়ার এজেন্টরা দক্ষিণ কোরিয়ার যাত্রীবাহী বিমান K.A.L 858 এ বোমা হামলা করে। ১১৫ জন মানুষকে মেরে ফেলে।এসব কাজের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়ার কোনো লাভ না হলেও শত্রুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে।

তবে একটা কাজের কাজ করে ছিল।মনে আছে, রাশিয়ার কাছ থেকে উপহার পাওয়া সেই পারমানবিক গবেষণা রিয়েক্টারের কথা। উত্তর কোরিয়ার মাথায় তখন পারমানবিক বোমা তৈরির ভূত চেপেছে তা বের হয়নি। তাই হাজার হাজার উত্তর কোরিয়ার বিজ্ঞানীদের কে রাশিয়ায় পাঠানো হয়।যার মূল কারন পারমানবিক পদার্থের উচ্চ বিদ্যা অর্জন।ফলে উত্তর কোরিয়া নিজস্ব ক্ষমতায় ৫ মেগাওয়াট রিয়েক্টর তৈরি করে ফেলে।যা থেকে অস্ত্র তৈরি করার জন্য প্লুটোনিয়াম বের করা সক্ষম হয়েছিল।

এবার আশি ১৯৯০ এর দশকে। এ সময় নর্থ কোরিয়া কঠিন দূরর্দশায় পরে।১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন পতনের ফলে উত্তর কোরিয়ার সব সাহায্য বন্ধ হয়ে যায়।চিনও তখন বন্ধুত্ব ভুলে যেতে থাকে। ফলে উত্তর কোরিয়ার কলকারখানা জ্বালানির অভাবে বন্ধ হয়ে যায়। 

১৯৫৪ সালে কিমের দাদা মারা যান। এরপরই কয়েক বছর টানা বন্যা এবং খরা দেখা যায়। রাষ্ট্রীয় রেশন ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। বনের ঘাস, গাছের চাল ও মাটি খেয়ে বেঁচে থাকি।

আন্তর্জাতিক সংস্থার মতে 1994 থেকে 1998 সালে উত্তর কোরিয়ায় প্রায় ১০ লক্ষ থেকে ৩০ লক্ষ লোক মারা যায়। দুর্ভিক্ষের ভিতরেও কিমের পিতা সেনাবাহিনীকে প্রাধান্য দিতেন। দেশের যতটুকু খাবার আছে তা আগে দেশে সেনাবাহিনী পাবে। এই নীতিতে দেশ চলতো। 

এর ফলে সাধারণ জনগণ গণহারে মারা যেতে থাকে কিন্তু কিম বংশের সামরিক শাসন ক্ষমতা টিকে থাকে। এমন সময় পাকিস্তান আসে আশীর্বাদ হয়ে।এরপর উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচির সবচেয়ে বড় মোর ঘুরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি ঘটে পাকিস্তানের সাথে গোপন লেনদেনের মাধ্যমে।

নর্থ কোরিয়া তখন উন্নত মিসাইল তৈরিতে দক্ষ ছিল। কিন্তু ইউরেনিয়াম সংগ্রহের সবচেয়ে পিছিয়ে ছিল। অন্যদিকে পাকিস্তানের কাছে অনেক উরেনিয়াম ছিল কিন্তু ভালো মিশাইল ছিল না। তাই পাকিস্তানের পারমানবিক জনক  আব্দুল কাদের খান কোরিয়া সফর করেন।

একটি গোপন চুক্তির মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া তাদের উন্নত মিসাইল পাকিস্তানকে দেয়।এর ফলে পাকিস্তান তাদের  সেন্ট্রিফিউজ প্রযুক্তি এবং ইউরেনিয়াম সংগ্রহের ব্লু প্রিন্ট দিয়ে দেয়।

এটি ইন্টারন্যাশনাল সংস্থা IAEA  চোখের আড়ালে গোটা ইতিহাসের বৃহত্তম গোপন অস্ত্র লেনদেন। এদিকে আমেরিকা বুঝতে পারে উত্তর কোরিয়া গোপনে বোমা বানাচ্ছে। তৎকালীন মার্কেট প্রেসিডেন্ট কেল্টন উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কেন্দ্রে হামলা করার পরিকল্পনাও করে ছিলেন।আমেরিকার সাথে যুদ্ধ এড়াতে উত্তর কোরিয়ার সাথে ১৯৯৪ সালে একটি চুক্তি হয়। উত্তর কোরিয়া তাদের প্লুটোনিয়াম কেন্দ্র বন্ধ রাখতে রাজি হয়।

বিনিময়ে আমেরিকা তাদের দুটি হালকা পানির  পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যা দিয়ে বোমা বানানোর কঠিন এবং প্রতি বছর ৫ লক্ষ্যটন জ্বালানি তেল দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু কিংজমের পিতা প্রকাশে প্লটোনিয়াম কেন্দ্র বন্ধ রাখলেও গোপনে পাকিস্তানের দেওয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিয়ম সংগ্রহ  শুরু করেন। তা তিনি একদিকে আমেরিকাদের কাছ থেকে সাহায্য নিচ্ছিলেন অন্যদিকে গোপনে বোমা তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

কিন্তু একটা সময় সবকিছু ধরা পড়ে যায়। ২০০২ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ. বুশ axis of evil হিসেবে ঘোষণা করেন।

২০০৩ সালে জানুয়ারিতে উত্তর কোরিয়া বিশ্ব পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসে। এটি ছিল ইতিহাসে প্রথম কোন দেশ যা চুক্তি সই করার পর বেরিয়ে এসে বোমা বানানোর ঘোষণা দেয়। 

৯ অক্টোবর ২০০৬ উত্তর কোরিয়া প্রথম ভূগর্বস্থ পারমাণবিক পরিক্ষা চালায় যদিও বিস্ফোরণ টি খুব বড় ছিল না। তখন তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক দেশের তালিকায় নাম লিখে ফেলেন।

২৫ মে ২০০৯ কিম ইল দ্বিতীয়বার পারমানবিক পরীক্ষা করেন। এবারের বিস্ফোরণ ছিল অনেক বেশি শক্তিশালী। এর মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেন কোন নিষেধাজ্ঞা বা চাপ  উত্তর কোরিয়াকে থামাতে পারবে না। আসলে তিনি দেখেছিলেন ইরাকের সাদ্দাম হোসেন লিবিয়ার গাদ্দাফি কেন ক্ষমতাশ্রুত হয়েছিল।

কারণ তাদের হাতে পারমানবিক বোমা ছিল না। তিনি জানতেন পারমাণবিক বোমা থাকলে আমেরিকা তাদের আক্রমণ করার সাহস পাবে না। ২০১১ সালে ১ কিম জং ইল মারা যান। ঠিক তখন অর্থাৎ ২০১১ সালে ১৭ ডিসেম্বর ক্ষমতা আসেন কিম জং উন।

কিম জং উনের আমলে উত্তর কোরিয়া খেপাটে ঘোড়ার মত দৌড়াতে শুরু করেন। ক্ষমতা নেওয়ার পর কিম জং উন বুঝতে পেরেছিলেন তার বাবার আমলে পুরনো জেনারেলরা তাকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না।

 তাই তিনি একটা অভিযান শুরু করেন। আর এর নাম The Great Purge" বা "রক্তক্ষয়ী শুদ্ধি অভিযান" বলা হয়।। এদের বেতর  একে একে অনেক আর্মি অফিসার মারা পড়তে থাকে।

২০১২ সালে কিম জং উন তার ক্ষমতার পথে বাধা হতে পারেন এমন অভিজ্ঞ জেনারেল রি ইয়ং-হো (Ri Yong-ho)কে আকস্মিকভাবে সরিয়ে দেন। রি ইয়ং-হো ছিলেন তার বাবার অত্যন্ত বিশ্বস্ত এবং প্রভাবশালী ও কাছের এক জন জেনারেল।

২০১৩ সালে কিমের নিজের ফুফা তার মেন্টর চ্যাং সং থেক (Jang Song-thaek) কে প্রকাশে দিবালোকে পার্টি অফিস থেকে টেনে হিচরে বের করে নেওয়া হয়।রাষ্ট্রদ্রোহের কারনে তাকে ফায়ারিং স্কোয়াডে শেষ করে দেওয়া হয়।বলা হয় কিম তার ফুফাকে মেরে ফেলার পর তার দেহের অবস্থা এত খারাপ করে ছেড়েছিল যাতে কেউ আর বিদ্রোহ করার সাহস না পায়।

২০১৭ সাল। কিমের সবচেয়ে বড় হুমকি ছিল তার বড় ভাই Kim Jong Nam যিনি মালয়েশিয়াতে নিবাসী ছিলেন। ২০১৭ সালে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে কিম জং নাম এর মুখে বিষাক্ত VX নার্ভ এজেন্ট লাগিয়ে  দেয়। কয়েক মিনিটেই তার মৃত্যু হয়। এর মাধ্যমে কিম বংশের অন্য সব দাবীদার কে তিনি পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়।

 কিম তার শাসনের কয়েক বছরে ৩০০ এর বেশি উচ্চ পদস্থ কর্মকতা কে তুচ্ছ কারণে মৃত্যু দন্ড দিয়েছে বলে অনেকে ধারনা করেন।তার ভাষনের সময় ঘুম ঘুম ভাব আসার কারনেও কর্মকতাদের প্রান হারাতে হয়েছে।

কিম জং উনের সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল ২০১৭ সালে সেপ্টেম্বর মাসে ষষ্ঠ পারমানবিক পরীক্ষা। এটি ছিল একটি হাইড্রোজেন বোমা আর শক্তি ছিল 150 কিলো টন।এটি 1945 সালে  হিরোশিমাতে ফেলা বোমার চেয়ে প্রায় দশগুণ বেশি শক্তিশালী। 

কিম এমন সব মিসাইল তৈরি করেছে যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের  যেকোনো শহরের  বোমা আঘাত হানতে সক্ষম। একে বলা হয় মনস্টার মিসাইল। যেমন Hwasong-15 এবং Hwasong-17

২০২৪ সালে রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী একটি সলিড ফুয়েল মিসাইল তৈরিতে সক্ষম হয়েছে।তরল জ্বালানির মিসাইল তৈরি করতে অনেক সময় লাগে কিন্তু সলিড ফুয়েল মিসাইল জঙ্গলের ভেতর কয়েক মিনিটেই উৎক্ষেপণ করা যায়। যা মার্কিন স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ধরা কঠিন।

 কিম জানেন অর্থনীতি শক্তিশালী না হলে টিকে থাকা কঠিন।আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কারণে এমনিতেই তার দেশের ব্যবসা বাণিজ্য সাধারনত বন্ধ থাকে। তাই দেশ চালানোর জন্য তিনি নতুন এবং বিপদজনক পথ খুঁজে নিয়েছেন। উত্তর কোরিয়ার আছে Lazarus গ্রুপ।উত্তর কোরিয়ার সরকার পরিচালিত একটি রাষ্ট্র-স্পন্সরড কুখ্যাত হ্যাকার গ্রুপ হলো Lazarus। যা বিশ্বব্যাপী সাইবার অপরাধ, ব্যাংকিং হ্যাকিং এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির সাথে জড়িত।

কিম কয়েক হাজার মেধাবী ছাত্রকে ছোটবেলায় থেকেই হ্যাকার হিসেবে গড়ে তুলেছেন। এরা বিশ্বের বিভিন্ন ব্যাংক ও কিপ্টো কারেন্সি এক্সচেঞ্জ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার চুরি করার গুজব আছে। Lazarus এর তথ্য মতে এই চুরির টাকা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক প্রকল্পের সিংহভাগ খরচ মেটানো হয়। তাছাড়া চীনের সঙ্গে কিমের সম্পর্ক অনেক ভালো। উত্তর কোরিয়া ৮৮% বাণিজ্য চীনের সাথেই করা হয়।

 চীন কয়লা ও খনিজ সম্পদের পরিবর্তে উত্তর কোরিয়াকে খাদ্য ও জ্বালানি সর্ববরাহ করে। ২০১৪ সালে কিম তার শাসন আমলে সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক চালটি ছেরেছে।ইউক্রেন যুদ্ধের রাশিয়ায় অস্ত্রের অভাব দেখা দিলে কিম সরাসরি রাশিয়ার সাথে সামরিক চুক্তি করেন। ইউক্রেনের সাথে লড়ার জন্য কিম তার 12000 উত্তর কোরিয়া সৈন্য  রাশিয়ায় পাঠিয়েছে বলে ধারনা করা হয়।এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর কোরিয়া সৈন্যদের প্রথম বড় বড় বৈদেশিক মিশন।

বিনিময়ে পুতিন টিমকে আধুনিক ড্রোন স্যাটেলাইট  দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এই চুক্তির ফলে উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সঙ্গী হয়ে উঠে।

ভাবুন একবার তাদের বন্ধু মাত্র দুইটি দেশ। আর দেশ দুটি সাধারণ কোন দেশ নয় চীন ও রাশিয়া। এখন প্রশ্ন হলো কিম তো আজীবন থাকবে না তাহলে তার জায়গায় কে আসবে?

তিনি ইদানিং তার দশ বছরের মেয়ে  রি সল জু বড় বড় সামরিক কুচকাওয়াজ  ও মিসাইল লঞ্চ সাইটে রাখছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন চতুর্থ প্রজন্ম হিসেবে তার মেয়েই পরবর্তী সুপ্রিম লিডার হতে যাচ্ছেন। 

উত্তর কোরিয়ার ভবিষ্যৎ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে এ নিয়ে তর্ক বিতর্ক সন্দেহ আছে। তবে কিম পরিবার যে বিশ্ব রাজনীতিতে সবচেয়ে ক্ষ্যাপাটে পরিবার এ নিয়ে কোন বিতর্ক নেই।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন