গল্পটা শুরু হয়েছিল প্যারিসের একটি ছোট্ট শহর থেকে। যার রুমের দেয়াল জুড়ে ছিল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পোস্টার। কিন্তু সে শুধু ভক্ত হতে চায়নি, সে চেয়েছিল একদিন দুনিয়া তাকিয়েও ঐ একই উচ্চতায় দেখুক। অনেকেই তাকে ফুটবলের পরবর্তী পেলে বলে ডাকতেন, কেউ বলতেন আধুনিক ফুটবলের দ্রুততম মানব।
তিনি এমন একজন মানুষ যে তার পরিচয় গড়ে তুলেছেন তার অর্জনের মাধ্যমে। ২০১৮ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে ফুটবল বিশ্বের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট, ফিফা বিশ্বকাপ জয় কিংবা ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে হ্যাট্রিক। তার এমন অর্জন বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছিল যে বয়স কেবল একটি সংখ্যা মাত্র।
বন্ধুরা, বলছিলাম এক হার না মানা যোদ্ধার কথা—যার নাম কিলিয়ান এমবাপ্পে। মেসি-রোনালদোর যুগ শেষ হওয়ার পর যারা ভেবেছিল ফুটবল তার সৌন্দর্য হারাবে, তারা এখন তাকিয়ে আছে এই জাদুকরের দিকে, যাকে ইতিহাস মনে রাখবে 'দ্য আনস্টপেবল' হিসেবে।
তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, যে কীভাবে একজন সাধারণ ছেলে নিজের স্বপ্ন আর পরিশ্রমকে পুঁজি করে পৌঁছে গেল সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে? 'জাহিদ নোটসের'-এর আজকের আর্টিকেলটিতে আমরা তুলে ধরব ফুটবল বিশ্বের সুপারস্টার এমবাপ্পের শৈশবের লড়াই থেকে বিশ্বমঞ্চ কাঁপানো উত্থানের গল্প।
১৯৯৮ সালের কথা। গোটা ফ্রান্স যখন তাদের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের উৎসবে মাতোয়ারা, ঠিক সেই সময় প্যারিসের এক অবহেলিত শহর বন্ডিতে জন্ম নিল একটি শিশু, যার নাম রাখা হলো কিলিয়ান এমবাপ্পে। ক্যামেরুনিয়ান বাবা আর আলজেরিয়ান মায়ের এই সন্তানের শৈশবটা মোটেও রূপকথার মতো ছিল না। বন্ডির অলিতে-গলিতে বড় হওয়া মানেই ছিল—হয় অপরাধের অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া, আর নয়তো আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন দেখা। এমবাপ্পে দ্বিতীয় পথটিই বেছে নিয়েছিলেন।
যখন তার বয়সী অন্য শিশুরা খেলনা নিয়ে ব্যস্ত থাকত, ৬ বছরের ছোট্ট এমবাপ্পে তখন বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে, কাদা থকথকে মাঠে ফুটবল নিয়ে প্র্যাকটিস করতেন। তার বাবা উইলফ্রেড নিজেও একজন কোচ ছিলেন। তিনি ছেলের পায়ের জাদুতে এক অপার সম্ভাবনা দেখতে পেয়েছিলেন।
এমবাপ্পের শোয়ার ঘরের দেয়াল জুড়ে ছিল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর অসংখ্য পোস্টার। সেই পোস্টারগুলো কেবল সাজসজ্জা ছিল না, সেগুলো ছিল তার অনুপ্রেরণার উৎস। তবে তিনি কেবল রোনালদো হতে চাননি, তিনি হতে চেয়েছিলেন তার চেয়েও বড় কিছু।
অল্প বয়সেই রিয়াল মাদ্রিদের মতো বিশ্বসেরা ক্লাবগুলো থেকে ডাক আসলেও এমবাপ্পে আত্মহারা হননি। কারণ সে জানত, সফলতার সিঁড়ি বইতে হয় ধাপে ধাপে। মোনাকোর জার্সিতে যখন তিনি প্রথম মাঠে নামলেন, তখন পুরো ফুটবল বিশ্ব এক বিস্ময়কর বালককে আবিষ্কার করল। মাত্র ১৭ বছর বয়সেই কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরির রেকর্ড ভেঙে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন—তিনি ফুটবল বিশ্বে রাজত্ব করতে এসেছেন।
এরপর ২০১৮ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ। এমবাপ্পের বয়স তখন সর্বমোট ১৯ বছর। যে বয়সে সাধারণ ছেলেরা নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে দুশ্চিন্তা করে, সেই বয়সে এমবাপ্পে কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন গোটা ফ্রান্সের স্বপ্ন। আর্জেন্টিনা বনাম ফ্রান্সের ম্যাচে তার খেলা দেখে এক ধারাভাষ্যকার চিৎকার করে বলেছিলেন—"He is a sonic boom." ১৯৯৮ সালের পর দ্বিতীয় কোনো কিশোর হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউটে জোড়া গোল করে সে নিজের প্রতিভার জানান দিল সবাইকে। সেই বিশ্বকাপটা ফ্রান্স জিতল, ফাইনালেও এমবাপ্পে গোল করল। যখন সে বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফিটা উঁচিয়ে ধরল, তখন মোনাকো থেকে প্যারিসের সেন্ট জার্মেই—কিলিয়ান এমবাপ্পে বনে গেল বিশ্বের সবচেয়ে দামী ফুটবলারদের একজন।
আমরা প্রায়শই বলি—এখনো সময় হয়নি বা আমি এখনো ছোট। কিন্তু এমবাপ্পে প্রমাণ করেছেন, আপনার বয়স কত সেটা কোনো ফ্যাক্ট নয়; আপনার দক্ষতা কতটুকু সেটাই আসল ফ্যাক্ট। যদি আপনার ১০০% প্রস্তুতি থাকে, তবে সুযোগ আপনার দরজায় কড়া নাড়তে বাধ্য। দুনিয়া আপনাকে আপনার বয়স দেখে সুযোগ দিবে না, দুনিয়া আপনাকে আপনার যোগ্যতা দেখে সুযোগ দিবে।
তো যা বলছিলাম, পরের বিশ্বকাপ—অর্থাৎ ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ। সেই বিশ্বকাপেও ফ্রান্স ফাইনালে পৌঁছে গেল। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা। ফুটবল বিশ্বের অন্যতম এক লেজেন্ড লিওনেল মেসি, যিনি তার জানপ্রাণ দিয়ে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দিতে মরিয়া হয়ে রয়েছেন। দুই মহাতারকার লড়াইয়ে লুসাইল স্টেডিয়াম মুখরিত হয়ে আছে। তবে ম্যাচের ৮০ মিনিট পর্যন্ত পৃথিবী ভেবেছিল এমবাপ্পে হেরে যাবে।
কিন্তু পরবর্তী ৯৭ সেকেন্ড—যাকে বলা হয় ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে নাটকীয় ৯৭ সেকেন্ড। এই ৯৭ সেকেন্ডে এমবাপ্পে পুরো বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিলেন। একটা না, দুটো গোল করে স্কোর সমতায় নিয়ে আসলেন। এরপর এক্সট্রা টাইমের ১০৮ তম মিনিটে আর্জেন্টিনা যখন আবার এগিয়ে গেল, তখন সবাই ধরে নিয়েছিল যে আর্জেন্টিনাই শেষমেষ জিতে যাবে। হ্যাঁ, আর্জেন্টিনাই সেদিন জিতেছে, কিন্তু এমবাপ্পে তাদের এত সহজে জিততে দেননি। ১১৮ তম মিনিটে তিনি আরো একটি গোল দিয়ে বসলেন, যা খোদ মেসিকেই স্তব্ধ করে দিয়েছিল।
সব মিলিয়ে একে একে তিনটি গোল—বিশ্বকাপের ফাইনালে হ্যাটট্রিক! ৬৬ বছর আগে পৃথিবী শেষবারের মতো এমন কিছু দেখেছিল। একা হাতেই তিনি ১১ জন আর্জেন্টাইন আর গ্যালারীর হাজার হাজার সমর্থকদের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন। স্রষ্টা হয়তো সেদিন অন্য কাউকে জেতাতে চেয়েছিলেন, কিন্তু এমবাপ্পে যা দেখিয়েছিলেন তা কখনোই ভুলবার মতো নয়। সেদিন ট্রফিটা লিওনেল মেসির হয়েছিল, কিন্তু সেই রাতটা ছিল কিলিয়ান এমবাপ্পের। কখনো কখনো হেরে গিয়েও যে জিতে যাওয়া যায়, এমবাপ্পে সেদিন সেটাই প্রমাণ করেছিলেন।
আপনার জীবনেও হয়তো এমন দিন আসবে, যখন আপনি আপনার সেরাটা দেবেন, হ্যাটট্রিক করবেন, সব প্রতিকূলতাকে জয় করবেন, তবুও ট্রফিটা হয়তো আপনার হবে না। কিন্তু মনে রাখবেন—ফলাফল আপনার হাতে নেই, কিন্তু লড়াইটা আপনার হাতে আছে। এমবাপ্পের সেই বিষণ্ণ মুখ আমাদের শেখায়—ভেঙে পড়া সহজ, কিন্তু আবার উঠে দাঁড়ানোটাই হলো আসল চ্যাম্পিয়নের পরিচয়। ইতিহাস বিজয়ীদের মনে রাখে ঠিকই, কিন্তু পৃথিবী চিরকাল কুর্নিশ জানায় সেই যোদ্ধাদের, যারা হার নিশ্চিত জেনেও লড়াই থামায়নি।
উদাহরণ হিসেবে ২০২১ সালের ইউরো কাপের সেই রাতটার কথা ভাবুন। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করলেন এমবাপ্পে। এক মুহূর্তে তিনি হয়ে গেলেন খলনায়ক। পুরো ফ্রান্স জুড়ে তাকে নিয়ে ট্রল করা হলো, এমনকি তাকে বর্ণবাদের শিকারও হতে হলো। অনেকেই তখন ভেবেছিল এমবাপ্পে হয়তো ভেঙে পড়বেন, এমনকি তিনি নিজেও ভেবেছিলেন ফুটবল ছেড়ে দেবেন। কিন্তু শেষমেষ কোনো ভুল সিদ্ধান্ত না নিয়ে আবারও মাঠে ফিরে গেলেন।
তবে তখন তার লড়াইটা ছিল আরো কঠিন। একদিকে বিশ্বের অন্যতম একটি বড় ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের ডাক, যাদের সাদা জার্সিতে জড়ানো ছিল তার ছোটবেলার স্বপ্ন। অন্যদিকে নিজের শহর প্যারিস, যেখানে খোদ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ তাকে অনুরোধ করেছেন থেকে যাওয়ার জন্য। ভাবুন তো, ২৩ বছর বয়সী একজন তরুণের ওপর তখন মানসিক চাপটা কোন পর্যায়ে ছিল?
অবশেষে পুরো ফুটবল বিশ্বকে চমকে দিয়ে এমবাপ্পে ঘোষণা করলেন—তিনি রিয়াল মাদ্রিদে যাচ্ছেন না, তিনি পিএসজিতেই থেকে যাচ্ছেন। যা শুনে মানুষ তাকে নিয়ে সমালোচনা করল, টাকার লোভী বলল। কিন্তু এমবাপ্পের লক্ষ্য ছিল অন্য কিছু। তিনি চেয়েছিলেন নিজের শহরের ক্লাবকে ইউরোপের সেরা করতে, তিনি চেয়েছিলেন ফ্রান্সের ফুটবলের প্রতীক হয়ে থাকতে। টাকার চেয়েও তখন তার কাছে লিগেসি বা নিজের চিহ্ন রেখে যাওয়াটা ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তবে তিনি জানতেন সমালোচকদের মুখ বন্ধ করার একমাত্র উপায় হলো গোল করা। তারপর তিনি একের পর এক রেকর্ড ভেঙে হয়ে ওঠেন পিএসজির ইতিহাসে সফলতম গোলদাতা।
বন্ধুরা, আমাদের জীবনেও এমন সিদ্ধান্ত আসে। একদিকে ক্যারিয়ারের হাতছানি, অন্যদিকে পরিবার বা দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা। এমবাপ্পে আমাদের শিখিয়েছেন—সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, সেটাকে সঠিক প্রমাণ করার দায়িত্ব আপনার নিজের। যদি তিনি পিএসজির হয়ে গোল না করতেন, তবে লোকে তাকে মনে রাখত না। ঠিক তেমনি, আপনি যে পথেই যান না কেন, কঠোর পরিশ্রম দিয়ে প্রমাণ করুন যে আপনার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল না।
তবে সাত বছরের নাটকীয়তা, প্রতীক্ষার আর হাজারো জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে পা রাখলেন সেই জায়গায়, যেখানে যাওয়ার স্বপ্ন তিনি ছোটবেলায় বন্ডির সেই ছোট্ট ঘরে বসে দেখেছিলেন—রিয়াল মাদ্রিদ, যাকে বলা হয় ফুটবলের শ্রেষ্ঠ জায়গা।
বর্তমানে এমবাপ্পে শুধু একজন খেলোয়াড় নন, তিনি একটি গ্লোবাল ব্র্যান্ড। ২৫ বছর বয়সেই তিনি এমন এক উচ্চতায় পৌঁছেছেন যেখানে যাওয়ার জন্য অনেকে পুরো ক্যারিয়ার উৎসর্গ করে দেয়। পিএসজির ইতিহাসে সেরা গোলদাতা হিসেবে প্যারিসকে বিদায় জানিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন—মাঝে মাঝে বড় স্বপ্ন পূরণের জন্য নিজের ঘর ছাড়ার সাহস দেখাতে হয়।
ভিনিসিয়াস জুনিয়র, জুড বেলিংহাম আর রদ্রিগোদের সাথে এমবাপ্পে তৈরি করেছেন এক নতুন 'গ্যালাক্টিকো'। তার চোখ শুধু এখন গোল্ডেন বুটে নয়, বরং ফুটবলের সর্বোচ্চ সম্মান ব্যালন ডি'অরের ওপর। মেসি আর রোনালদোর পরবর্তী ফুটবল বিশ্বে এমবাপ্পে যে রাজত্ব করবে, সে তো সকলেরই জানা। বর্তমানে তিনি শুধু চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততে চান না, তিনি চান মাদ্রিদের ইতিহাসে আলফ্রেডো ডি স্টিফানো বা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মতো একজন চিরস্থায়ী কিংবদন্তি হতে।
জাতীয় দলের হয়ে তার লক্ষ্য আরও বড়। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে তিনি যখন নামলেন, তখন তিনি আছেন তার ক্যারিয়ারের সেরা সময়ে। তার লক্ষ্য ফ্রান্সকে আবারও বিশ্বের সেরা করা এবং পেলের পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনালে অংশ নেওয়া।
এমবাপ্পের বর্তমান অবস্থা আমাদের শেখায়—সবকিছুর একটা সঠিক সময় আছে। সাত বছর আগেই তিনি মাদ্রিদে যেতে পারতেন, কিন্তু তিনি অপেক্ষা করেছেন, তিনি আরও নিজেকে তৈরি করেছেন। আমাদের জীবনেও অনেক সময় আমরা যা চাই তা পাই না, কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমরা তা পাব না। পরিশ্রম চালিয়ে যান, নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলুন। আপনার সময় যখন আসবে তখন পুরো বিশ্ব আপনার আগমনের অপেক্ষায় করতালি দেবে।
হয়তো আপনি জানেন না, মাত্র ১১ বছর বয়সে এমবাপ্পেকে চেলসি রিজেক্ট করেছিল। তারা বলেছিল—ছেলেটি প্রতিভাবান কিন্তু ডিফেন্স করতে জানে না। কিন্তু এমবাপ্পের মা সেদিন চেলসির কর্মকর্তাদের মুখের ওপর বলে এসেছিলেন—"আজ তোমরা ওকে নিচ্ছ না, কিন্তু কয়েক বছর পর ওকে কিনতে তোমাদের কয়েকশ মিলিয়ন খরচ করতে হবে।" এমবাপ্পে সেই রিজেকশনকে অপমানের বদলে জেদ হিসেবে নিয়েছিলেন। তিনি সবাইকে বুঝিয়ে দিলেন দুনিয়া আপনাকে রিজেক্ট করলে সেটা আপনার শেষ নয়, বরং নতুন করে শুরু করার একটা কারণ।
বন্ডির সেই গলি থেকে বার্নাব্যুর এই রাজকীয় মঞ্চ—এমবাপ্পের এই যাত্রা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে স্বপ্ন দেখা ভালো, কিন্তু সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য পৃথিবীর বিরুদ্ধে লড়াই করার সক্ষমতা থাকাও জরুরি। যদি আপনার ভেতরে সক্ষমতা থাকে তবেই আপনি সফল, তবেই আপনি আনস্টপেবল।
আজকের মতো এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আর্টিকেলটি ভালো লাগলে একটা লাইক করতে ভুলবেন না। দেখা হচ্ছে পরবর্তী আর্টিকেলে। ততক্ষণ পর্যন্ত সাবস্ক্রাইব করে 'নগর বায়োস্কোপ'-এর সাথেই থাকুন। থ্যাংকস ফর ওয়াচিং।
