পৃথিবীতে বালির সংকট কেন? মরুভূমিতে এত বালি থাকতেও কেন কমছে বালি!

 

বালির ভয়াবহ সংকট: মরুভূমিতে এত বালি থাকতেও কেন পৃথিবী বালি খুঁজছে?

প্রতি বছর আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ বিলিয়ন টন বালি উত্তোলন করা হয়। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি একটি ইন্টারেস্টিং তথ্য দিয়েছিল। প্রতিবছর উত্তোলিত বালির পরিমাণ এত বেশি যে, তা দিয়ে পৃথিবীর বিষুবরেখা বরাবর ২৭ মিটার উঁচু এবং ২৭ মিটার চওড়া একটি প্রাচীর তৈরি করা সম্ভব। বালির এই বিপুল চাহিদা বৃদ্ধির মূল কারণ বিশ্বব্যাপী নগরায়ণ এবং বিশাল সব অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প।

​একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। চীন ২০১১ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে যে পরিমাণ বালি ব্যবহার করেছে, তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পুরা বিংশ শতাব্দী জুড়েও ব্যবহার করেনি। শহরগুলো আক্ষরিক অর্থেই বালির উপর নির্মিত। কংক্রিট কাজ, রাস্তা তৈরির অ্যাসফল্ট থেকে শুরু করে আমাদের ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক্স সবকিছুই ভিত্তেই বালি। পানি পরিশোধনেও ব্যবহৃত হয় বালি, এমনকি টুথপেস্টেও। ইলেকট্রনিক্স শিল্পের ভিত্তি যে সিলিকন চিপ, তাও তো তৈরি হয় সিলিকন ডাই-অক্সাইড বা বালি থেকেই।

আরো পড়ুন : আপনি ফ্রিতে AI চালান, বিল দেয় কে?

​

এক কথায় বালি আমাদের সভ্যতার অপরিহার্য ভিত্তি। বালিকে আর সাধারণ পণ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নাই, এটি পানি বা তেলের মতোই একটি কৌশলগত সম্পদ। কিন্তু যদি বলি সামনে দেখা দিতে পারে ভয়াবহ বালির সংকট, তাহলে কেমন শোনাবে? এই সংকটের কথা শুনলে একটি সাধারণ প্রশ্ন মাথায় আসবে, পৃথিবীতে তো এত বিশাল বিশাল মরুভূমি আছে, তাহলে বালির অভাব হবে কেন? এখানেই আছে সংকটের মূল রহস্য। সব বালি নির্মাণের উপযুক্ত নয়।

​নির্মাণ কাজের জন্য, বিশেষ করে কংক্রিট তৈরির জন্য কৌণিক এবং অমসৃণ দানাযুক্ত বালি প্রয়োজন। এ ধরনের বালি সাধারণত নদীর তলদেশে, সমুদ্র সৈকতে বা সমুদ্রের তলদেশে পাওয়া যায়। পানির প্রবাহে ক্ষয়প্রাপ্ত এ জাতীয় বালির দানার মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন খুব শক্তিশালী হয়, যা কংক্রিটকে মজবুত করে। অন্যদিকে মরুভূমির বালি বাতাস দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।

​বছরের পর বছর ধরে বাতাসের সংঘর্ষে মরুভূমির বালির দানাগুলো হয়ে যায় মসৃণ, গোলাকার এবং অত্যন্ত সূক্ষ্ম। এই মসৃণ দানার বালি সিমেন্টের সাথে ভালোভাবে বন্ধন তৈরি করতে পারে না, ফলে তা দিয়ে তৈরি কংক্রিট খুবই দুর্বল এবং অনিরাপদ হয়। বালির দানার এই পার্থক্যই সংকটের কেন্দ্রবিন্দু। আর এর সবচাইতে বড় প্রমাণ— সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো বালি সমৃদ্ধ দেশগুলোও তাদের বিশাল নির্মাণ প্রকল্পের জন্য অস্ট্রেলিয়া থেকে বালি আমদানি করে। এত বিশাল বিশাল মরুভূমি, অথচ তারপরও নির্দিষ্ট প্রকার বালির জন্য তীব্র প্রতিযোগিতা হয়, যা কালোবাজারি এবং সংঘাতের পথ তৈরি করে দেয়।

আরো পড়ুন :জগৎশেঠ: বাংলার ধনকুবের থেকে ব্রিটিশদের পেনশনভোগী!

​ 

অবৈধ এবং নিয়ন্ত্রিত বালি উত্তোলনে নদী মরে যাচ্ছে, উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্র বিলীন হচ্ছে এবং জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে। নদীর তলদেশ থেকে বালি উত্তোলন করা হলে নদীর প্রাকৃতিক গঠন চেঞ্জ হয়ে যায়। ড্রেজিং-এর মাধ্যমে নদীর গভীরতা বেড়ে যায়, পানির স্রোত তীব্রতর হয়। এই তীব্র স্রোতে নদীর পার ভাঙতে শুরু করে, গ্রাস করে উর্বর জমি এবং ঘরবাড়ি, সেতু এবং অন্যান্য অবকাঠামো মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

​নদীর তলদেশে এবং আশেপাশে থাকা বালি বৃষ্টির পানি এবং নদীর পানি চুষে নিয়ে আস্তে আস্তে মাটির ভেতরে পাঠায়। এটাকে বলে গ্রাউন্ড ওয়াটার রিচার্জ, যাতে ভূগর্ভস্থ পানি পুনরায় ভরে ওঠে। নদী বা খাল থেকে বেশি বালি তুলে নিলে মাটির গভীরে পানি ঢোকার পথ বাধা প্রাপ্ত হয়। এতে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে আসে। এর ফলে গ্রামের টিউবওয়েল, কুয়া শুকিয়ে যায়, তখন পানি তুলতে ডিপ টিউবওয়েল বসাতে হয়। যেমন, ভারতের কিছু নদীতে বালি উত্তোলনের কারণে প্রতিবছর নদীগর্ভ ৭ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত নিচে নেমে যাচ্ছে।

​আরেকটি ভয়াবহ উদাহরণ হলো চীন থেকে তৈরি হওয়া থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া এবং ভিয়েতনামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মেকং নদী। এখানে নির্ধারিত হারের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ হারে বালি তোলা হচ্ছে, ফলে নদীর তলদেশ কয়েক মিটার পর্যন্ত নেমে গেছে। পুরো অঞ্চলের প্রাকৃতিক ভারসাম্যই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। নদীগুলো পলি এবং বালি বহন করে উপকূলে পৌঁছে দেয়, যা সৈকতগুলোর স্বাভাবিক পুনর্গঠনের জন্য অপরিহার্য। যখন নদী থেকে বালি উত্তোলন করা হয়, তখন এই প্রাকৃতিক সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলাফল উপকূলীয় এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি হয়। সরাসরি সমুদ্রসৈকত বা বালিয়ারি থেকে বালি তোলা হলে তা হয় আরো মারাত্মক। বালিয়ারিগুলো ঝড় এবং জলোচ্ছ্বাসের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক বাধা হিসেবে কাজ করে। এই বাধা সরিয়ে ফেলার ফলে উপকূলীয় সম্প্রদায়গুলো বন্যার কাছে অসহায় হয়ে পড়ে।

​নির্বিচারে বালি তোলার সবচাইতে চরম পরিণতি ভোগ করেছে দক্ষিণ এশিয়া। কিভাবে? সিঙ্গাপুরের আয়তন খুব ছোট, কিন্তু জনসংখ্যা এবং অর্থনীতি ক্রমবর্ধমান। তাই সমুদ্র ভরাট করে নতুন জমি বানাতে তারা প্রচুর বালি আমদানি করতে শুরু করে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম এ সব দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ বালি কিনতে শুরু করে সিঙ্গাপুর। বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়ার রিয়াও দ্বীপপুঞ্জ থেকে এত বালি কাটা হয়েছিল যে অন্তত ২৪টি ছোট দ্বীপ পুরোপুরি ডুবে যায় বা মুছে যায়। দ্বীপগুলো অনেকটাই আগে মানচিত্রে ছিল, এখন নাই।

আরো পড়ুন : পুরোনো আমলের নাবিকেরা সমুদ্রে মিষ্টি পানি কীভাবে পেতেন?

​এই দ্বীপ হারানোর মানে শুধু ভূগোল নয়, বরং সামুদ্রিক সীমানা বা মেরিটাইম বাউন্ডারি ছোট হয়ে আসা। ইন্দোনেশিয়া তার সমুদ্র সম্পদের উপরে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। বিষয়টি ক্লিয়ার করি, এখানে একটি ইন্টারেস্টিং তথ্য দিচ্ছি। জাতিসংঘের আইন অনুযায়ী, একটি দেশের কোস্টাল এরিয়া থেকে সাগরের ১২ নটিক্যাল মাইল এলাকা পুরোপুরি সেই দেশের নিজের। আর ২০০ নটিক্যাল মাইল জুড়ে থাকবে দেশটির ইইজেড অর্থাৎ এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন। এই জায়গা জুড়ে দেশটি সাগরে তেল, গ্যাস আহরণ করতে পারবে এবং আর্টিফিশিয়াল স্ট্রাকচার, রিসার্চ স্টেশন এবং উইন্ড ফার্ম এসব বানাতে পারবে। জাতিসংঘের বিচারে এই লাল দাগ হলো চীনের ইইজেড।

চীনের ইইজেড
চীনের ইইজেড যা তারা অস্বীকার করে 


​কিন্তু চীন এই লাল দাগ মানে না।

চীনের ইইজেড যা তারা বিশ্বাস করে। 


 চীন মানে এই লাল দাগটি। কারণ হলো এই যে বক্স দিয়ে দেখানো জায়গাটি, ওখানে অনেকগুলো আইল্যান্ড আছে, যেগুলো স্পার্টলি আইল্যান্ড নামে পরিচিত। চীন ওই আইল্যান্ডগুলোকে নিজের বলে ক্লেম করে। ওখানে কিন্তু ছোট ছোট অনেক দ্বীপ আছে। এসব দ্বীপ যদি চীনের হয়, তাহলে চীনের মেরিটাইম বাউন্ডারি বেড়ে যায়। এরপর চীন ওই বাউন্ডারির ভেতরে আর্টিফিশিয়াল আইল্যান্ড, মিলিটারি বেস এটা-সেটা বানাতে পারবে। বুঝতেই পারতেছেন বিষয়টা। আবার ওই আইল্যান্ড যদি সাগরের পানিতে ডুবে যায়, তখন আবার চীনের দাবি করার মতো কোনো গ্রাউন্ডই থাকবে না।

​এই যে হরহামেশা নিউজ দেখবেন, সাউথ চায়না সাগরে ডিসপুটেন্ড এরিয়াতে চীন আর্টিফিশিয়াল আইল্যান্ড বানাচ্ছে, সেটা বানায় কিভাবে? সাগরের তল থেকে বালি তুলে। কেন বানাচ্ছে? মিলিটারি ইউজের জন্য, ফাইটার প্লেন ডিপ্লয় করার জন্য। বালির চাহিদা দিন দিন বাড়তেছে। বালির ব্যবসায়ী রয়েছে তীব্র প্রতিযোগিতা আর সেখানে তৈরি হয়েছে বালি মাফিয়া। বালি মাফিয়া কোনো একক সংগঠন নয়, বরং একটি অসংখ্য অপরাধী গোষ্ঠীর নেটওয়ার্ক। তাদের কার্যপদ্ধতি তিনটি স্তরের উপরে দাঁড়িয়ে আছে— পার্শ্বীয় শক্তি, রাজনৈতিক দুর্নীতি এবং শোষণ।

​তারা সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে আইনকে অকেজো করে দেয়, স্থানীয়দের ভয় দেখিয়ে চুপ করে রাখে এবং এরপর ইচ্ছামতো বালি তোলে। এই ব্যবসা অত্যন্ত লাভজনক। পাশের দেশ ভারতে কেবল অবৈধ বালি তোলার ব্যবসার বাজার বিলিয়ন ডলারের। এই মাফিয়া চক্রগুলো কেবল আইন ভাঙে না, তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় একটি প্যারালাল শাসন ব্যবস্থা কায়েম করে। ভয় এবং দুর্নীতির মাধ্যমে তারা বৈধ সরকারের কর্তৃত্বকে প্রতিস্থাপন করে। পরিবেশবাদীরা প্রতিরোধ করলে এরা গুণ্ডামাস্তান দিয়ে তাদের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

​যেমন সমরেসুমাঈরা আব্দুল আলীর মতো ব্যক্তিকে গাড়ির টিকিট টেনে হেঁচড়ে নামিয়ে মারধর করেছে এরা। সরকারি কর্মকর্তাদেরও রেহাই দেয়নি। মধ্যপ্রদেশের একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে ট্রাক্টর চাপা দিয়ে হত্যা করেছে। অবৈধ বালি উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া আইএস অফিসার ডি কে রবির রহস্যজনক মৃত্যুও এই মাফিয়াদের কাজ বলে সন্দেহ করা হয়। এ ছাড়াও বালু মাফিয়াদের সাথে হরহামেশা সংঘাত হয় পরিবেশবাদী থেকে শুরু করে গ্রামবাসীদেরও।

আরো পড়ুন : সক্রেটিসের বিচার ও মৃত্যুর পেছনের দর্শন

​

বালি সংকট এখন আর স্থানীয় অপরাধীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বালির অতৃপ্ত চাহিদা পৃথিবিময় তৈরি করেছে এক বিশাল ব্ল্যাক মার্কেট। ওই যে সিঙ্গাপুরের কথা বলেছিলাম, যারা সমুদ্র ভরাট করে নতুন জমি বানাতে প্রচুর বালি আমদানি করতো ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম এসব দেশের কাছ থেকে। সিঙ্গাপুরকে বালি দিতে গিয়ে অধিক বালি উত্তোলন করে নিজেদের ক্ষতি সাধনের পর মালয়েশিয়া ১৯৯৭ সালে, ইন্দোনেশিয়া ২০০৭ সালে, ভিয়েতনাম এবং কম্বোডিয়া ২০০৯ সালে সিঙ্গাপুরে বালি রপ্তানি নিষিদ্ধ করে।

​নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পরও তা অমান্য করে সিঙ্গাপুরে বালি সরবরাহ দিতে তৈরি হয় এক বিশাল এবং সংঘটিত চোরাচালান নেটওয়ার্ক। যেমন ২০০৭ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে সিঙ্গাপুর দাবি করে যে কম্বোডিয়া থেকে তারা ৭৩.৬ মিলিয়ন টন বালি আমদানি করেছে, যার মূল্য ৭৩৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অথচ কম্বোডিয়ার সরকারি রেকর্ড ঘেঁটে দেখা যায় মাত্র ৫ মিলিয়ন ডলারের বালি এই সময়কালে সিগালি সিঙ্গাপুরে রপ্তানি করার কথা উল্লেখ আছে। এই অমিলের মানে একটাই রাষ্ট্রীয় স্তরে দুর্নীতি। মাফিয়াদের সঙ্গে হাত ছাড়া এত বড় পরিসরে স্মাগলিং সম্ভব নয়।

​চাহিদা যখন আছে, কেউ না কেউ এর যোগান দেবেই। বৈধ পথ বন্ধ হয়ে গেলে অবৈধ পথে দেবে। তাহলে সমাধান কি? একটি বিকল্প হলো এম স্যান্ড। গ্রানাইটের মতো কঠিন শিলাকে চূর্ণ করে কৃত্রিমভাবে এই বালি তৈরি করা হয়। এই বালির কৌণিক আকৃতির কারণে কংক্রিট আরো শক্তিশালী হতে পারে, কিন্তু এই প্রক্রিয়াটি খরচে এবং সোফিস্টিকেটেড। সঠিক প্রক্রিয়াকরণ না হলে এতে হিতে বিপরীত হয়।

​অন্যান্য বিকল্পের কথাও মানুষ ভাবছে, যেমন মরুভূমির বালিকে বিশেষ প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা বা গ্রাফিনের মতো নতুন উপাদান ব্যবহার করা। যেটাই করুক, নদী থেকে বালি তোলার চেয়ে এসব প্রোডাকশন খরচ হবে অনেক বেশি।

আরো পড়ুন : বিটকয়েনের আসল ইতিহাস

​তো আজ এই পর্যন্তই। সাউথ চায়না সাগরে আমেরিকার সাথে চলছে চীনের বৈরিতা। চীনের আশেপাশে ঘিরে বসেছে মার্কিন ঘাঁটি। এই যে আফগানিস্তানের কাছে বাগরামে আর বেস চাচ্ছে আমেরিকা, এর পেছনেও রয়েছে চীনকে ঘিরে আমেরিকার ভবিষ্যৎ জিওপলিটিক্স। চীনকে ঘিরে ফেলতেছে আমেরিকা কিন্তু কিভাবে? সে বিষয়ে আমার পরবতী অন্য আর্টিকেলে বলব।

মন্তব্যসমূহ